নম্মাল্বার

শ্রীঃ শ্রীমতে রামানুজায় নমঃ শ্রীমদ্ বরবরমুনয়ে নমঃ শ্রী বনাচল মহামুনয়ে নমঃ

গুরু-পরম্পরা

<< পূর্ববর্তী

পূর্ববর্তী প্রবন্ধে আমরা সেনাই মুদলিয়ার সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এখন আমরা ওরাণ্ ভাজি  গুরু পরম্পরার পরবর্তী আচার্যের বিষয়ে অগ্রসর হব।

নম্মাল্বার তিরুক্কুরুগূর  (আল্বার  তিরুনগরী)

তিরুনক্ষত্রম্ – বৈগাসি (জ্যৈষ্ঠ মাস), বিশাগম্ নক্ষত্র
অবতার স্থলম্ – আল্বার  তিরুনগরী
আচার্যন্ – বিষ্বকসেন ।
শিষ্যগণ – মধুরকবি আল্বার , নাথমুনিগল্, প্রভৃতি।

তিনি মারন, শতগোপন, পরাঙ্কুশন, বকুলাভরণন, বকুলাভিরামন, মগিঝ্মারন, শতজিত্, কুরুকূর নম্বি প্রভৃতি নামেও পরিচিত।

নম্মাল্বার তিরুক্কুরুগূর  (আল্বার  তিরুনগরী)-এ কারি এবং উডয়নঙ্গাই-এর সন্তানরূপে আবির্ভূত হন। তিনি কলিযুগের আবির্ভাবের কয়েকদিন পর জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ভগবদ্ গীতায় কৃষ্ণ ঘোষণা করেন যে, “অনেক অনেক জন্মের পর কেউ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে সবকিছুই বাসুদেবনের অধীন। এবং এমন জ্ঞানীদের খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত বিরল।” নম্মাল্বার জীবন এবং রচনার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, তিনি সেইরূপ এক জ্ঞানী, যিনি ভগবানের অতি প্রিয়।

তাঁর সমগ্র জীবনকাল জুড়ে (যা এই সংসারে মাত্র ৩২ বছর স্থায়ী ছিল), তিনি তেঁতুল গাছের (তিরুপ্পুলিয়াআল্বার ) নীচে অবস্থান করতেন এবং সর্বদা যোগে (ধ্যানে) নিমগ্ন থেকে ভগবানকে চিন্তা করতেন। আমাদের পূর্বাচার্যদের ব্যাখ্যানসমূহে বলা হয়েছে যে, আমরা যখনই “কুরুকূর” শব্দটি শুনি (সাধারণত তিরুভায়মোঝি পাশুরমসমূহে, প্রত্যেক পদিগমের শেষ পাশুরমে নম্মাল্বার নাম থাকে এবং সাধারণত তার আগে “কুরুকূর” যুক্ত থাকে, যা তাঁর অবতার স্থলম্), তখন আমাদের দক্ষিণ দিকের প্রতি অঞ্জলি নিবেদন করা উচিত (যেদিকে আল্বার তিরুনগরী অবস্থিত)।

নম্মাল্বার  প্রপন্ন জন কূটস্থর্ বলে অভিহিত করা হয় — অর্থাৎ, তিনি প্রপন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমজন। তাঁকে বৈষ্ণব কুল পতি — অর্থাৎ বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের নেতা — বলেও আখ্যায়িত করেছেন আলবন্দর। আলবন্দর তাঁর স্তোত্র রত্নম্-এর পঞ্চম শ্লোকে ঘোষণা করেন যে, তিনি বকুলাভিরামনের চরণকমলে প্রণাম নিবেদন করেন, যিনি তাঁর এবং তাঁর অনুসারী/বংশধরদের জন্য সর্বস্ব (পিতা, মাতা, সন্তান, ধন-সম্পদ প্রভৃতি)।

শয়ন তিরুক্কোলমে আল্বার এবং তাঁর পদপদ্মে এম্পেরুমানার (রামানুজাচার্য) — আল্বার তিরুনগরী  

রামানুজাচার্য (যিনি স্বয়ং আদিশেষের অবতার) “মারণ অডি পণিন্ধু উয়ন্ধবন” নামে মহিমান্বিত হয়েছেন; যার অর্থ, যিনি নম্মাল্বারের  শরণ গ্ৰহণ করে উৎকর্ষ লাভ । 

নম্পিল্লৈ, পূর্বাচার্যদের গ্রন্থসমূহের ভিত্তিতে, তাঁর ঈডু ব্যাখ্যান অবতারিকা এবং তিরুভিরুত্তম ব্যাখ্যান অবতারিকায় প্রতিষ্ঠা করেছেন যে, নম্মল্বারকে স্বয়ং ভগবান লীলা-বিভূতি থেকে বিশেষভাবে নির্বাচন করেছিলেন তাঁর গৌরবগান করার জন্য এবং বহু বদ্ধ জীবাত্মাকে শ্রীবৈষ্ণব ধর্মের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। নাম্পিল্লৈ এই বিষয়টি স্বয়ং নম্মল্বারের উক্তির ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠা করেছেন। ভগবান নিজের ইচ্ছাতেই নম্মল্বারকে বিশুদ্ধ দিব্যজ্ঞান প্রদান করেন, যাতে আল্বার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে নিজের সম্মুখেই প্রত্যক্ষ করতে পারেন।

নিজ গ্রন্থসমূহে তিনি বহু স্থানে বলেছেন যে, অনাদিকাল থেকে তিনি সংসারে দুঃখ ভোগ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, তিনি এক মুহূর্তের জন্যও এই সংসারে অবস্থান করতে পারেন না — তাঁর কাছে এই সংসারে জীবনযাপন করা যেন জুতো বা চপ্পল ছাড়া প্রজ্জ্বলিত উত্তপ্ত ভূমির উপর দাঁড়িয়ে থাকার সমান। তিরুভায়মোঝির প্রথম পাশুরমেই তিনি বলেছেন যে, ভগবানের কৃপায় তিনি দিব্যজ্ঞান প্রাপ্ত হয়েছেন। এর ভিত্তিতে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে, পূর্বে তিনি একজন সংসারী (বদ্ধ জীবাত্মা) ছিলেন এবং পরে ভগবানের কৃপায় দিব্যজ্ঞান লাভ করেছিলেন। একই যুক্তি অন্যান্য আল্বারদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, নিম্নলিখিত কারণগুলির জন্য: 

  • যেহেতু নম্মল্বারকে “অবয়বী” (সম্পূর্ণ সত্তা) বলা হয় এবং অন্যান্য সমস্ত আল্বারদের (অবশ্যই আণ্ডাল ব্যতীত) “অবয়ব” (অংশবিশেষ) বলা হয় ।
  • অন্যান্য আল্বাররাও তাঁদের রচনায় একই কথা বলেছেন যে, তাঁরা সংসারে দুঃখ ভোগ করছিলেন এবং ভগবানের কৃপায় দিব্যজ্ঞান লাভ করেছেন। 

নম্মল্বার চারটি দিব্য প্রবন্ধ রচনা করেছেন, যথা— 

  • তিরুভিরুত্তম (ঋগ্বেদের সারাংশ)
  • তিরুভাসিরিয়ম (যজুর্বেদের সারাংশ) 
  • পেরিয় তিরুভন্দাধি (অথর্ববেদের সারাংশ)
  • তিরুভায়মোজি (সামবেদের সারাংশ) 

নম্মল্বারের প্রবন্ধসমূহ চার বেদের সমতুল্য বলে গণ্য হয়। তাঁকে “বেদম তামিল চেইথ মারণ” নামেও অভিহিত করা হয় — অর্থাৎ, যিনি তাঁর তামিল প্রবন্ধসমূহের মাধ্যমে সংস্কৃত বেদের সারতত্ত্ব প্রকাশ করেছেন। অন্যান্য সকল আল্বারদের প্রবন্ধসমূহকে বেদের পরিপূরক অঙ্গসমূহের (যেমন শিক্ষা, ব্যাকরণ ইত্যাদি) সদৃশ বলে বিবেচনা করা হয়। তিরুভায়মোজিকে আল্বারদের রচিত সমগ্র ৪০০০ দিব্য প্রবন্ধের সারতত্ত্ব হিসেবে মহিমান্বিত করা হয়। আমাদের সমস্ত পূর্বাচার্যদের গ্রন্থসমূহ (ব্যাখ্যান ও রহস্য গ্রন্থ) তিরুভায়মোজি থেকে আহৃত জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। তিরুভায়মোজির নিজস্ব পাঁচটি ব্যাখ্যান রয়েছে এবং অরুম্পদমে এর আরও বিস্তৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

আমাদের পূর্বাচার্যগণ প্রতিষ্ঠা করেছেন যে, নম্মল্বারের মধ্যে শ্রীদেবী, ভূদেবী, নীলাদেবী, গোপিকাগণ, লক্ষ্মণ, ভরতআল্বান, শত্রুঘ্নআল্বান, দশরথ, কৌশল্যা, প্রহ্লাদআল্বান, বিভীষণআল্বান, হনুমান, অর্জুন প্রভৃতি বহু মহান ব্যক্তিত্বের গুণাবলি বিদ্যমান ছিল। যদিও নম্মল্বারের মধ্যে এদের প্রত্যেকের সকল গুণই পরিপূর্ণভাবে বর্তমান ছিল, কিন্তু তাঁদের প্রত্যেকের মধ্যেই নম্মল্বারের কেবল কিছু কিছু গুণমাত্র বিদ্যমান ছিল — এমনই তাঁর মহিমা। 

তিরুভায়মোজি ৭.১০.৫ — “পলরডিয়ার মুন্বরৌলিয়” — এই পাশুরমে নম্পিল্লাই অত্যন্ত সুন্দরভাবে নম্মল্বারের তিরুভুল্লম প্রকাশ করেছেন। নম্মল্বার এই পাশুরমে বলেছেন যে, ভগবান শ্রীবেদব্যাস, শ্রীবাল্মীকি, শ্রীপরাশর এবং তামিলে পারদর্শী মুদলআল্বারগণের মতো মহান ঋষিদের পরিবর্তে তাঁকেই তিরুভায়মোজি গাওয়ার জন্য আশীর্বাদ করেছিলেন।

এই বিষয়গুলি স্মরণে রেখে, এখন আমরা তাঁর চরিত্রম্ (জীবনচরিত) আলোচনা করি: 

নম্মল্বার, যিনি “অবয়বী” (সম্পূর্ণ সত্তা) রূপে বিবেচিত এবং অন্যান্য আল্বারগণ যাঁর “অবয়ব” (অংশবিশেষ) রূপে গণ্য, তিনি তিরুক্কুরুগূরে আবির্ভূত হন। এই স্থানটি তামিরাভরণী নদীর তীরে অবস্থিত, যে নদীকে গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতী প্রভৃতি অন্যান্য সকল নদীর থেকেও শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচনা করা হয়। তিনি বহু প্রজন্ম ধরে প্রপন্ন কুলের অন্তর্ভুক্ত কারির পুত্ররূপে আবির্ভূত হন। এই মহান ব্যক্তিরা তিরুমাঝিসাই আল্বারের উক্তি — “মরণ্থুম পুরম তোজা মান্থর” (மறந்தும் புறம் தொழா மாந்தர்) — অনুসারে, কখনও শ্রীমন নারায়ণ ব্যতীত অন্য কারও উপাসনা করতেন না , সেই বংশে এক তিরুভালুতি বল নাডার ছিলেন; তাঁর পুত্র অরন্থাঙ্গিয়ার, তাঁর পুত্র চক্রপাণিয়ার, তাঁর পুত্র অচ্যুতর, তাঁর পুত্র শেন্থামরাইক কণ্ণর, তাঁর পুত্র পোর্কারিয়ার, তাঁর পুত্র কারিয়ার এবং তাঁরই পুত্র ছিলেন নম্মল্বার।

এই মহান বৈষ্ণব পরিবারে পোর্কারিয়ার তাঁর পুত্র কারিয়ারকে গৃহস্থাশ্রমে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং সমগ্র বিশ্বের কল্যাণার্থে বৈষ্ণব সন্তান লাভের উদ্দেশ্যে এক বৈষ্ণব কন্যার সন্ধান করার সিদ্ধান্ত নেন। পোর্কারি তিরুভণপরিসারম দিব্যদেশমে গমন করেন এবং সেখানে তিরুভাঝমার্ভর-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যিনি নিজেও তাঁর কন্যার বিবাহ এক বৈষ্ণবের সঙ্গে দিয়ে বৈষ্ণব সন্তান লাভ করতে ইচ্ছুক ছিলেন। পোর্কারি তাঁর কন্যা উডয় নঙ্গাইকে কারিয়ারের সঙ্গে বিবাহ দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করেন। তিরুভাঝমার্ভর সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং কারিয়ার ও উডয়নঙ্গাইয়ের মধ্যে এক মহৎ বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে কারিয়ার ও উডয়নঙ্গাই তিরুভণপরিসারমে তিরুভাঝমার্ভন ভগবানের পূজা করে তিরুক্কুরুগূরে প্রত্যাবর্তন করেন। তাঁদের প্রত্যাবর্তনের সময় তিরুক্কুরুগূরের সকল মানুষ গভীর ভক্তি ও উৎসবমুখর ভাব নিয়ে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান, ঠিক যেমন শ্রী রামচন্দ্র সীতা পিরাট্টিকে বিবাহ করে মিথিলা থেকে অযোধ্যায় নিয়ে এলে অযোধ্যাবাসীরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিল।

কিছু সময় পরে কারিয়ার ও উডয়নঙ্গাই তিরুভণপরিসারমে গমন করেন এবং ফেরার পথে তিরুক্কুরুঙ্গুড়িতে গিয়ে নম্বি ভগবানের পূজা করেন। তাঁরা এক সন্তান লাভের জন্য প্রার্থনা করেন এবং নম্বি তাঁদের প্রতিশ্রুতি দেন যে, তিনি নিজেই তাঁদের সন্তানরূপে আবির্ভূত হবেন। তাঁরা আনন্দের সঙ্গে তিরুক্কুরুগূরে প্রত্যাবর্তন করেন এবং কিছু সময় পরে উডয় নঙ্গাই গর্ভবতী হন।

কলিযুগের সূচনার ৪৩তম দিনে, ভগবানের আদেশ অনুসারে, নম্মল্বার — যিনি নিজেই “তিরুমালাল্ অরুলপ্ পেত্র সটগোপন” (திருமாலால் அருளப் பெற்ற சடகோபன்) অর্থাৎ “শ্রীমন নারায়ণের দিব্য কৃপাপ্রাপ্ত গোপন” বলে ঘোষণা করেছেন — বিষ্বকসেনের  অংশরূপে আবির্ভূত হন। তাঁর আবির্ভাব ঘটে বহুধান্য বর্ষে (কিছু মতে প্রমাধি বর্ষে), বসন্ত ঋতুতে, বৈকাসি মাসে, শুক্লপক্ষে, পৌর্ণমী তিথিতে এবং তিরুভিসাকা নক্ষত্রে।

আঝগিয়া মণবাল পেরুমাল নায়নার তাঁর “আচার্য হৃদয়ম”-এ যেমন ঘোষণা করেছেন, তেমনই এখানে বলা হয়েছে— “আধিত্য রামদিবাকর অচ্যুত বানুক্কলুক্কু নীঙ্গাথ উল্লিরুল নীঙ্গি শোষিয়াথ পিরভিক্কডল শোষিথ্থু বিকসিয়াথ পোথিল কমলম মলরুম্পডি বকুলভূষণ বাস্করোদয়ম উণ্ডায়্থ্থু উডয়নঙ্গাইয়াগির পূর্বসন্ধ্যাইলে” (ஆதித்ய ராமதிவாகர அச்யுத பாநுக்களுக்கு நீங்காத உள்ளிருள் நீங்கி சோஷியாத பிறவிக்கடல் சோஷித்து விகஸியாத போதில் கமலம் மலரும்படி வகுளபூஷண பாஸ்கரோதயம் உண்டாய்த்து உடையநங்கையாகிற பூர்வஸந்த்யையிலே)।

এর অর্থ, সূর্যদেব (আধিত্য), দীপ্তিমান সূর্যের ন্যায় মহিমান্বিত শ্রীরামচন্দ্র (রাম দিবাকর) এবং জ্যোতির্ময় সূর্যের ন্যায় মহিমান্বিত শ্রীকৃষ্ণ (অচ্যুত বানু)-এর আবির্ভাবেও যে সংসারীদের অন্তরের অজ্ঞান দূর হয়নি এবং যে জন্ম-মৃত্যুর মহাসমুদ্র শুষ্ক হয়নি, সেই অজ্ঞান দূরীভূত হলো ও জ্ঞানের প্রস্ফুটন ঘটলো নম্মল্বার (বকুলভূষণ ভাস্কর)-এর আবির্ভাবের মাধ্যমে; আর এই নম্মল্বারকে উডয়নঙ্গাই গর্ভে ধারণ করেছিলেন।

আদিশেষ দিব্য তেঁতুল বৃক্ষরূপে আবির্ভূত হন, যাতে তিনি আল্বারকে রক্ষা করতে পারেন; কারণ তিনি জানতেন যে, আল্বার তিরুক্কুরুগূরের আথিনাথন ভগবানের মন্দিরে আশ্রয় গ্রহণ করবেন। 

নম্মল্বারের তানিয়ন 

মাতা পিতা যুবতয়ঃ তনয়া বিভূতিঃ ।
সর্বং যদেব নিয়মেন মদন্বয়ানাম্ ।
আদ্যস্য নঃ কুলপতের্ বকুলাভিরামম্ ।
শ্রীমৎ তদঙ্গ্রি যুগলং প্রণমামি মূর্ধ্না ॥

மாதா பிதா யுவதயஸ் தநயா விபூதி:ஸர்வம் ய தேவ நியமேன மத் அந்வயாநாம்
ஆத்யஸ்யந: குலபதேர் வகுளாபிராமம்ஸ்ரிமத் ததங்க்ரி யுகளம் ப்ரணமாமி மூர்த்நா 

পরবর্তী প্রবন্ধে আমরা নাথমুনিগলের জীবনচরিত আলোচনা করবো।

অডিয়েন্ সপ্তর্ষি রামানুজ দাস

তথ্যসূত্র – https://acharyas.koyil.org/index.php/2012/08/18/nammazhwar-english/

প্রমেয় – https://koyil.org
প্রামাণ্য – http://srivaishnavagranthams.wordpress.com
প্রমথা – https://acharyas.koyil.org
শ্রী বৈষ্ণব শিক্ষা/বাল-বালিকা পোর্টাল – https://pillai.koyil.org

Leave a Comment